• শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • ইপেপার
শিরোনাম:
প্রশাসন বিএনপির পক্ষে, তাদের অধীনে নির্বাচন সম্ভব নয়: নাহিদ ন্যাশনাল কমেডি পার্টি হয়ে যাচ্ছে এনসিপি: তাসনিম খলিল রাজনীতিতে আসা ভুল ছিল না, নির্বাচন করলে আবার জিতব: সাকিব এবারও নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দেননি প্রধান উপদেষ্টা: মির্জা ফখরুল আমতলীতে এক বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার থানায় অভিযোগ। আমতলীতে চাদা না দেয়ায় ৬ জনকে কুপিয়ে আহত। অপারেশন ডেভিল হান্ট, আমতলীতে আ লীগ নেতা গ্রেফতার। রায়পুরায় ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম আমতলী চাওড়ায় মেহেদী জামান রাকিব এর ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও মটর সাইকেল শোভাযাত্রা। মাদারীপুরে বৃদ্ধ ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

সিনেমায় নোংরা দৃশ্য দেখে বিব্রত নওশাবা

মুহাম্মাদ শিমুল হুসাইন / ৯৭
বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪

একসময় অশ্লীলতা ছেঁয়ে গিয়েছিল ঢাকাই চলচ্চিত্রে। মূলত ২০০০ সালের পরবর্তী সময়টাকে ‘অন্ধকার যুগ’ বলা হতো। তখন থেকেই হলবিমুখ হতে শুরু করেন সিনেমাপ্রেমীরা। সম্প্রতি সেই সময়ের দুটি সিনেমা জব্দ করে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের কাছে পাঠায় পুলিশ। কাটপিসযুক্ত এসব সিনেমায় নোংরা দৃশ্য দেখে বিব্রত অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদসহ সার্টিফিকেটশন বোর্ডের সদস্যরা।

 

গত ১৫ অক্টোবর সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্যরা জব্দ করা ‘জাঁদরেল’ও ‘শক্র ঘায়েল’ নামের সিনেমা দুটি দেখেন। পুলিশের অভিযোগ, সিনেমায় অশ্লীল কাটপিস দৃশ্য লাগিয়ে সেগুলো হলে চালানো হচ্ছিল। পরে সত্যতা পেয়ে সিনেমা প্রদর্শনের অনুমতি বাতিল করেন বোর্ডের সদস্যরা।

 

এ প্রসঙ্গে সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য ও অভিনেত্রী নওশাবা বলেন, সিনেমাগুলো দেখা আমার জন্য বিব্রতকর ছিল। একটি সিনেমায় অদ্ভুতভাবে আজেবাজে দৃশ্য জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের সিনেমা কোনো সভ্য দেশের দর্শকের জন্য নয়।

 

সেন্সর বোর্ডের সদস্য নির্মাতা খিজির হায়াত বলেন, এত জঘন্য কাটপিস, যা কোনোভাবেই দেখার মতো নয়। এত অশ্লীলতা, নগ্নতা বাংলা সিনেমার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া বাক্‌রুদ্ধ করেছে। এ ধরনের রুচিহীন কাজ যারা করেছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত। আমরা সিনেমা দুটি দেখে মতামত জানিয়েছি। এ ধরনের সিনেমা যেন আর কোথাও কোনো সিনেমা হলে না চালানো হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।

 

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি লিখেছেন, কাটপিস আমলে সেন্সর সার্টিফিকেট প্রাপ্ত জব্দ হওয়া একটা সিনেমা সার্টিফিকেশন বোর্ডে আজকে দেখে লজ্জায়, ঘৃণায় বমি চলে আসছে, ছিঃ। এরাই বাংলাদেশি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে ধ্বংস করার অন্যতম কারিগর। যেখানেই কাটপিস সিনেমা চলবে নিকটতম প্রশাসনকে জানানোর জোর দাবি থাকল।

 

জানা গেছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘নয়া মানুষ’, ‘ভয়াল’, ‘যাপিত জীবন’সহ ১০টি সিনেমা দেখেছেন চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্যরা। তবে যারা এভাবে নতুন সিনেমা না থাকায় হলে কাটপিস-অশ্লীল সিনেমা চালাচ্ছেন, শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানায় সার্টিফিকেশন বোর্ড সূত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ

TikTok

জরুরি হটলাইন